ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ও ভাষা সৈনিক
অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ আর নেই
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট ॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, ভাষা সৈনিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি, আলহাজ্ব অ্যাডঃ আব্দুস সামাদ আর নেই (ইন্না … রাজিউন)। গত শুক্রবার রাত পৌনে ২টায় তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে এবং ২ কন্যা সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। মরহুমের পারিবারিক সূত্র জানায়, মরহুমের আমেরিকা প্রবাসী দু’পুত্র দেশে আসার পর আজ রবিবার বাদ জোহর  শহরের লোকনাথ উদ্যানের (টেংকের পাড়) জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মরহুমের গ্রামের বাড়ি সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হবে। এদিকে ভাষা সৈনিক আবদুস সামাদের মৃতুতে শহরের শোকের ছায়া নেমে আসে। তার মৃত্যুর খবর শুনে জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডঃ জিয়াউল হক মৃধা এম.পি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডঃ ফজিলাতুন নেসা বাপ্পী, পৌর মেয়র মোঃ হেলাল উদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সরাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডঃ আব্দুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম ভূঞা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডঃ সারোয়ার -ই- আলম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মরহুমের বাসভবনে ছুটে যান। আলহাজ্ব অ্যাডঃ আব্দুস সামাদ ১৯৩১ সালের ১ মার্চ সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁয় গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম মুন্সী আমীর হোসেন মৃধা। তিনি ১৯৪৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে অধ্যয়ন কালে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অনার্সে ভর্তি হন এবং মহান ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য হিসেবে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গ্রেপ্তার হন। ১৯৬০ সালে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনজীবী হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৮ সাল থেকে তিনি পাকিস্তান ন্যাপের জাতীয় পরিষদ সদস্য ছিলেন। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে ন্যাপ নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালে এবং ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২- (সরাইল) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৯৮০ সালে তিনি সোভিয়েত ইউনিয়ন, ইরাক, ১৯৯৮ থেকে ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ও ইংল্যান্ড এবং ২০০১-২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্র কানাডা ফ্রান্স ইতালী সফর করেন। তিনি একাধিকবার জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টাউন ক্লাব, পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একাধিক বার জেলা আওয়ামীলীগ, সাহিত্য একাডেমী ও উদীচীর শিল্প গোষ্ঠীর উপদেষ্টা, জেলা নাগরিক কমিটি, বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ, দেওয়ান মাহবুব আলী স্মৃতি পরিষদ ও জেলা নাটাব’র সভাপতি ছিলেন। তিনি একাধিক গ্রন্থ লিখেছেন ও নিয়মিত স্থানীয় পত্রিকায় কলাম লিখতেন। মরহুম আব্দুস সামাদ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিভিন্ন সময়ে পুরষ্কার সহ সম্মাননা পেয়েছেন।
আশুগঞ্জে যাত্রাবিরতিকালে তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু
বিএনপি এখনো জঙ্গীবাদী জামাতকে ছাড়েনি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট ॥ তথ্যমন্ত্রী হাসানুল ইনু বলেছেন, বিএনপি এখনো জঙ্গীবাদী জামায়েতকে ছাড়েনি। জামায়াতকে তারা পৃষ্টপোষকতা করছেন। যারা জঙ্গীবাদের পৃষ্টপোষকতা করে, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে কথা বলে তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায়না। তিনি গত শুক্রবার রাতে দলীয় প্রতিনিধি সভায় যোগদান করতে মৌলভী বাজার যাওয়ার পথে আশুগঞ্জের হোটেল উজান ভাটিতে যাত্রা বিরতি শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের একথা বলেন। তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া কয়েক বার দেশের প্রধান মন্ত্রী ছিলেন। গণতান্ত্রিক আন্দোলন, নির্বাচন, সংসদ সর্ম্পকে তিনি জানেন। কিন্ত তিনি ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের আগে একটি আত্মঘাতী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন, অশুভ চক্রান্ত করেছিলেন। একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে অবৈধ সরকার গঠনের চক্রান্ত করেছিলেন। তিনি জামাত-হেফাজত-জঙ্গীদের নিয়ে দেশে অরাজক পরিবেশ তৈরীর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্ত তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। হাসানুল হক ইনু বলেন, দেশের নিবন্বিত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি’র রাজনীতি করার অধিকার, আন্দোলন করার অধিকার রয়েছে। আমি আশা করবো বিএনপি গণতান্ত্রিক আন্দোলন করবে এবং আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্ততি নিবেন। বিএনপি যদি এখনো ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগের মতো সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে, বোমাবাজি করে অরাজক পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে তাহলে ভুল করবে। কারন জঙ্গীবাদ-জামায়েত-হেফাজত মোকাবেলার ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার জঙ্গীবাদী চক্রান্ত মোকাবেলা তৎপর। সরকার প্রণীত সম্প্রচার নীতিমালা সাংবাদিকদের জন্য দিক নির্দেশনামুলক। বর্তমানে বিকাশমান সম্প্রচারে কোন সার্বজনীন আইন নেই, প্রত্যেকে স্ব স্ব নীতিমালা অনুসারে কাজ করছে। তিনি একে সবার জন্য বিপজ্জনক দাবি করেন। তিনি বলেন সাংবাদিক, সংবাদ, প্রচার সংস্থা, রাষ্ট্র ও দর্শকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে-ই এটি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তাদের মতামতের ভিত্তিতে-ই কমিশন গঠন ও সম্প্রচার আইন তৈরী করা হবে। তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সড়ক পথে আশুগঞ্জ পৌছলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দ্বীপ কুমার সিংহ ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জাফর মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে হোটেল উজান-ভাটিতে নিয়ে আসেন। এ সময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ খালেদ, নারী জোটের আহবায়ক আফরোজা হক রীনা, মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি রক্ষা পরিষদের সহ-সভাপতি ও জাসদের উপদেষ্টা সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বীর প্রতীক, উপদেষ্টা শাহ জিকরুল আহমেদ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আজ মোকতাদির চৌধুরী এম.পি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসছেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট ॥ প্রধান মন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব, বিশিষ্ট লেখক, মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এম.পি আজ রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসছেন। তিনি সকাল ১১ টায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের কার্যকরী কমিটির সভায় যোগদান করবেন। দুপুর দেড় টায় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শেখ মোঃ কুতুব হোসেনের কুলখানীতে যোগদান করবেন।
ভাষা সৈনিক অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে
দৈনিক ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিবারের শোক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট ॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, ভাষা সৈনিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি, আলহাজ্ব অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন দৈনিক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সম্পাদক মোঃ নুরুল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক দেওয়ান ফয়জুন নাহার, যুগ্ম সম্পাদক স.ম. সিরাজুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক আবদুন নূর ও প্রধান প্রতিবেদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা। এক শোক বার্তায় সাংবাদিকগণ মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ আখাউড়া সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ আখাউড়া সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা গতকাল শনিবার সকাল ১০ টায় স্থানীয় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এটিএম নিছার ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডঃ সৈয়দ এ কে এম এমদাদুল বারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আখাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোসলিম উদ্দিন ভূঞা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক শেখ মোশাররফ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টা আব্বাস আলী, উপদেষ্টা কাজী ইমদাদুল ওয়াদুধ, অ্যাডঃ গোলাম সারওয়ার খোকন, শেখ শাহীন মাহমুদ, উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খাদেম, সহ সভাপতি অ্যাডঃ কাজী মোঃ আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাসেম খোকন, সমাজ কল্যাণ ও কৃসি সম্পাদক মমিনুল হক রহিম, সাহিত্য- সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব আবদুর রউফ ভূঁইয়া (সানু), অর্থ সম্পাদক হাজী মোবারক মিয়া ও আশরাফুজ্জামান ভূঁইয়া (ফরহাদ)। সভা পরিচালনা করেন অ্যাডঃ হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া।
কালের কণ্ঠের উদ্যোগে
আজ সরকারি কলেজে আউটসোসিং কর্মশালা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে আজ আউটসোসিং বিষয়ে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। দৈনিক কালের কণ্ঠ, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইডিড) ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইডিডি) এর যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। কালের কণ্ঠের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু জানিয়েছেন, সকাল ১০টায় কর্মশালার উদ্বোধন করবেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক মীর। বেলা ২টা পর্যন্ত এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। কর্মশালায় অংশগ্রহনকারিদেরকে একটি করে ২০০ পৃষ্ঠার ই-বুক, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন স্বাক্ষরিত সনদ দেওয়া হবে। কালের কণ্ঠের পাঠক সংগঠন শুভসংঘের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান পারভেজ এক বিবৃতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে যথাসময়ে কর্মশালায় উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। কর্মশালা সফলে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
শেখ কুতুব হোসেনের আত্মার মাগফেরাত কামনায়
আজ মিলাদ-মাহফিল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট ॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ছাত্র সংসদের সাবেক জি.এস, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য মরহুম শেখ কুতুব হোসেনের আত্মার মাগফেরাত কামনায় আজ রবিবার মিলাদ মাহফিল এবং কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর পৌনে দুইটায় স্থানীয় লোকনাথ উদ্যানের পৌর কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধান মন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব, বিশিষ্ট লেখক, মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এম.পি। বিশেষ অতিথি থাকবেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডঃ সৈয়দ এ.কে. এম. এমদাদুল বারী, জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আল-মামুন সরকার, জেলা ১৪ দলের সমন্বয়ক মুক্তিযোদ্ধা আমানুল হক সেন্টু,  সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রন জানিয়েছেন কুলখানি ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন কমিটির আহবায়ক ও পৌর মেয়র মোঃ হেলাল উদ্দিন। উল্লেখ্য গত ৬ আগষ্ট শেখ কুতুব হোসেন ডায়াবেটিকস জনিত অসুস্থতায় রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শীর্ষক কর্মশালায় পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুজ্জামান পিপিএম (বার)
বাংলাদেশও তথ্য প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে যাচ্ছে
পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুজ্জামান পিপিএম (বার) বলেছেন, “বিশ্বের উন্নত দেশের মত বাংলাদেশও তথ্য প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। সভ্যতার বিকাশের পাশাপাশি অপরাধের ধরণেও পরিবর্তন এসেছে। এ জন্য তথ্য প্রযুক্তির উত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করেই তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তিনি গতকাল সকালে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে জেলা পুলিশের উদ্যোগে “তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত” শীর্ষক দিনব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় একথা বলেন। কর্মশালায় পুলিশ সুপার বলেন, আধুনিক গণমুখী পুলিশিং এ জনগণের আস্থা অর্জনের লক্ষে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। প্রশিক্ষণে জেলার ১৬ জন তদন্তকারী কর্মকর্তা (সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার) অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য যে, জেলার সকল পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। প্রশিক্ষণ কর্মশালার বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন সিনিয়র এসএসপি (সদর সার্কেল) মোঃ শাহ আলম বকাউল,  সিনিয়র এএসপি (সদর দপ্তর) মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (মডেল থানা) তাপস রঞ্জন ঘোষ, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিস) মোঃ আজহারুল ইসলাম মুকুল। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে
মোকতাদির চৌধুরী এম.পির শোক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবীন ব্যক্তিত্ব, বিশিস্ট আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি এবং বিশিষ্ট লেখক আলহাজ্ব অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধান মন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, বিশিস্ট মুক্তিযোদ্ধা, লেখক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এম.পি। এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব অ্যাডঃ আব্দুস সামাদ ছিলেন একজন বিশিস্ট আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক। সমাজের উন্নয়নে তিনি ভূমিকা রেখেছেন। তার মৃত্যুতে সমাজের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। যা পূরণ হওয়ার নয়। শোক বার্তায় তিনি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
অভ্যন্তরিন কোন্দলের জের
ছাত্রলীগ কর্মীকে দিন-দপুরে গুলি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট ॥ অভ্যন্তরিন কোন্দলের জের ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দিন-দুপুরে প্রতিপক্ষের গুলিতে এক ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার দুপুরে শহরের কালাইশ্রীপাড়া মহল্লায়। আহতের নাম তমাল হোসেন লালু-(২০)। তাকে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়। এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল দুপুর দুইটার দিকে তমাল তার বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় পিস্তলধারী দুই যুবক এসে প্রথমে তাকে ধাওয়া করে। কিছুদূর যাওয়ার পরই তমালকে লক্ষ্য করে পিছন থেকে গুলি ছোড়া হয়। গুলি তমালের উরুতে কোমড়ে লাগলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এলাকাবাসী জানান, বাপ্পী নামে ছাত্রলীগের আরেক কর্মীর সাথে তমালের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জের ধরেই তার উপর হামলা চালানো হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, কালাইশ্রীপাড়া ও পাইকপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজীকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। ওই সূত্রটি জানায়, তমাল হোসেন লালুকে গুলি করার সময় জেলা ছাত্রলীগের শীর্ষ এক নেতার ভাই সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল মিয়া বলেন, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। এর সাথে ছাত্রলীগের কোন সম্পৃক্ততা নেই। এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ মাসুম বিল্লাহ বলেন, ঘটনার সাথে ছাত্রলীগের কোনো সম্পর্ক নেই। আহত যুবক কিংবা দুর্বৃত্তরাও কেউ ছাত্রলীগের নয়। এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকুল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, বাপ্পী নামে এক যুবকের সঙ্গে তমালের বিরোধ ছিল। কিছুদিন পূর্বে বাপ্পী হামলার শিকার হয়। এ হামলার জের ধরেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। উল্লেখ্য গত ১ সপ্তাহ ধরে অভ্যন্তরিন কোন্দলের জের ধরে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে নিরব উত্তাপ চলছে। দু’গ্রুপেই যার যার মতো করে শহরে মহড়া দেয়। এর জের ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে সাধারণ ছাত্রের উপর গত ৯ সেপ্টেম্বর হামলাও চালানো হয়।
অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে
চেম্বার সভাপতির শোক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিশিষ্ট রাজনীতিক, প্রবীণ আইনজীবী, জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি আলহাজ্ব আজিজুল হক চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোক বার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবার বর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
ওসির বিরুদ্ধে আইজির কাছে চাঁদাদাবির অভিযোগ ॥ সংবাদ সম্মেলন
আখাউড়া প্রতিনিধি॥ আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হাম্মাদ হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাদাবির অভিযোগ এনে পুলিশের মহাপরিচালকের (আইজি) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন এক আইনজীবী। পাশাপাশি ওসির অপসারণ দাবি করে গতকাল শনিবার সকালে তিনি আখাউড়া প্রেস ক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর আইজিপির কাছে দেওয়া অভিযোগে আখাউড়ার ধরখার গ্রামের বাসিন্দা আইনজীবী লুৎফুর রহমান লিটন উল্লেখ করেন তিনি ক্রয় সূত্রে ধরখার এলাকার ৪.৬১ একর জায়গার মালিক। মুজিবুর রহমান নামে এক ব্যক্তি জাল দলিল করে ওই জায়গার ৩.৪১ একরের মালিক দাবি করলে এ নিয়ে মামলা চলমান। এ অবস্থায় আখাউড়া থানার ওসি গত আগস্ট তােেক ডেকে নিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন। অন্যথায় তার জায়গা দখল হয়ে যাবে বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে ওসির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তায় গত ৩ সেপ্টেম্বর জায়গাটি দখলের চেষ্টা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লুৎফুর রহমান অভিযোগ করেন, ওসি জায়গাটি দখলে করতে আবারো পায়তারা করছেন। তিনি দাবিকৃত টাকা না পেয়ে মুজিবুর রহমানের পক্ষ নিয়ে জায়গা দখলের চেষ্টা করছেন। এ ব্যাপারে মুজিবুর রহমান বলেন, ‘ওসি আমার পক্ষ নিয়ে জায়গা দখল করতে যায় নি। এটি সম্পূর্ন মিথ্যা কথা। আমি ওই জায়গার প্রকৃত মালিক। কিন্তু অ্যাডভোকেট লিটন তা অন্যায়ভাবে দখল করে রেখেছেন। তার কাছে কোনো কাগজ পত্রও নেই। এ ব্যাপারে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হাম্মাদ হোসেন বলেন, এসব কিছু মিথ্যা। যদি আমি টাকা চেয়ে থাকি তাহলে তদন্ত করলেই তা বেরিয়ে আসবে। আর আমি কারো পক্ষ নিয়ে কাউকে জায়গা দখল করতেও যাইনি।
অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে
অ্যাডঃ হারুন-আল -রশীদের শোক
ভাষা আন্দোলনের বীর সেনানী, জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডঃ আবদুস সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন জেলা বিএনিপর সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব অ্যাডঃ হারুন আল রশিদ। বিবৃতিতে তিনি বলেন, মরহুম অ্যাডঃ আব্দুস সামাদ শুধু একজন ব্যক্তি বিশেষ ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি আর্দশিক প্রতিষ্ঠান। ৫২-এর মহান ভাষা আন্দোলনে তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতি তাকে “ভাষা সৈনিক” খেতাবে ভূষিত করেন। তিনি ছিলেন একাধারে রাজনীতিক, আইনজীবী, লেখক, বুদ্ধিজীবী, সর্বোপরি তিনি ছিলেন একজন সমাজ হিতৈষী অভিভাবক। তিনি ছিলেন বহুগুনে গুনাহিত একজন পরিপূর্ণ মানুষ। তার মৃত্যু জনিত শূন্যতা শুধু পীড়িতই করবে না তাড়িয়ে বেড়াবে প্রতিদিন প্রতিক্ষণ। বিবৃতিতে তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
ভাষা সৈনিক আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে
জেলা প্রশাসকের শোক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি সন্তান, ভাষা সৈনিক অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে জেলা প্রশাসন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন গভীর শোক প্রকাশ করেন। শোক বার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
বেগম খালেদা জিয়ার আগমন উপলক্ষে
জেলা-উপজেলা-পৌর যুবদলের যৌথ পরামর্শ সভা
বর্তমান অবৈধ সরকারের পতন আন্দোলনকে তরান্বিত করার লক্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আগামী ২২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া আগমন উপলক্ষে গতকাল শনিবার বিকাল ৪ টায় জননেতা ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের পুনিয়াউটস্থ বাস ভবনে জেলা যুবদলের আহবায়ক মনির হোসেনের সভাপতিত্বে এক যৌথ পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলী আজম, হাজী মিজানুর রহমান, পৌর শাখা যুবদলের আহবায়ক তানিম শাহেদ রিপন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক অ্যাডঃ আবদুর রহিম গোলাপ, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব অ্যাডঃ আরিফুল হক মাসুদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এইচ এম বাশার। নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর যুবদলের সকল নেতৃবৃন্দকে সুশৃঙ্খলভাবে দেশনেত্রীর জনসভায় উপস্থিত থাকার জন্য আহবান জানান। সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব বুলবুল আহমেদ মুসার উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের নেতা শরীফ আহমেদ, আতিকুল হক জালাল, মাকসুদুর রহমান বিপ্লব, পৌর যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন প্রমুখ। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে
বিভিন্ন মহলের শোক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট ॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, ভাষা সৈনিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি, আলহাজ্ব অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পৃথক পৃথক শোক বার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
প্রেসক্লাবের শোক
প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রেজা, সহ-সভাপতি আল আমিন শাহীন, সৈয়দ মোহাম্মদ আকরাম, যুগ্ম সম্পাদক মফিজুর রহমান লিমন, কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ রিয়াজ আহমেদ অপু, দপ্তর সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, পাঠাগার সম্পাদক নজরুল ইসলাম শাহাজাদা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নিজাম ইসলাম, কার্যকরী সদস্য আকলিমা আক্তার শিউলী।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ
ভাষা সৈনিক অ্যাডঃ আবদুস সামাদের মৃত্যুতে জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বৃহত্তর কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সৈয়দ আখতার ইউসুফ  এবং জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি প্রফেসর মোঃ মোখলেছুর রহমান খান ও সাধারণ সমাপাদক মোহাম্মদ আরজু গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
শ্যামলের শোক
বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, ভাষা সৈনিক, প্রবীণ আইনজীবী জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ আবদুস সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
আলী আকবর মজুমদার
জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ আবুদস সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ স্মৃতি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কৃষি ব্যাংকের মহা ব্যবস্থাপক(অবঃ) আলী আকবর মজুমদার।
আকছির এম চৌধুরী
জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি নেতা অ্যাডঃ আকছির এম চৌধুরী।
ওয়ার্কার্স পার্টি
অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডঃ কাজী মাসুদ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক  কমরেড নজরুল ইসলাম, যুবমৈত্রীর আহবায়ক এড. মোঃ নাসির, যুগ্ম আহবায়ক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, ছাত্রমৈত্রীর আহবায়ক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, যুগ্ম আহবায়ক বাছির মিয়া, নারীমুক্তি সংসদের সভাপতি ফজিলাতুন্নাহার, রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ পাটোয়ারী।
সাহিত্য একাডেমীর শোক
জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি এবং সাহিত্য একাডেমীর উপদেষ্টা অ্যাডঃ আবদুস সামাদের মৃত্যুতে সাহিত্য একাডেমী পরিবার গভীর ভাবে শোকাহত। এ সময়ে তাঁর চলে যাওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতি, সামাজিক কর্মকান্ড ও সাংস্কৃতিক অংগনের অপূরণীয় ক্ষতি। সাহিত্য একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান শিশির পরিচালক, মানবর্দ্ধন পাল, নির্বাহী সদস্য এস এম আলম হিরু, তানভির সিদ্দিকী এবং উদীচী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংসদের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম স্বপন তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। তারা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।
সরাইল সমিতির শোক
ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থা সরাইল সমিতির পক্ষে সভাপতি আবদুল বাতেন নোমান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ মোঃ নাজমুল হোসেন।
তানজিল আহমেদ
জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পরিচালক তানজিল আহমেদ এক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
জেলা উন্নয়ন পরিষদ
জেলা উন্নয়ন পরিষদের    সিনিয়র সহ সভাপতি এহসান উল্লাহ্ মাসুদের পিতা, ভাষা সৈনিক এবং জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন জেলা উন্নয়ন পরিষদ, সদর উপজেলা এবং পৌর শাখা কার্য নির্বাহী কমিটির সর্বস্তরের সদস্যবৃন্দ।
খালেদা জিয়ার আগমন উপলক্ষে
ইসলামী ঐক্যজোটের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত
আগামী ২২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ মাঠে ২০ দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাবেশ সফল করার লক্ষে গতকাল শনিবার সকাল ১০ টায় জেলা ইসলামী ঐক্যজোটের অস্থায়ী কার্যালয়ে ইসলামী ঐক্যজোটের সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী ঐক্যজোটের ভাইস চেয়ারম্যান হাফেজ মাওঃ আবুল হাসানাত আমিনী আগামী ২২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার সমাবেশ সফল করার আহবান জানিয়ে বলেন, উক্ত সমাবেশকে মহা জনসমুদ্রে পরিণত করতে ইসলামী ঐক্যজোটের সকলস্তরের নেতাকর্মীদের কাজ করে যেতে হবে। ২০ দলীয় জোটের সমাবেশে ইসলামী ঐক্যজোটের ২০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সর্বাত্মক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রত্যেক উপজেলায় ইসলামী ঐক্যজোটের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানানো হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মাওঃ আলী আজম, মুফতী বোরহান উদ্দিন কাশেমী, মুফতী ফজলুল হক নিজামী, মাওঃ আলতাফ হোসাইন, মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা মাওঃ আব্দুস সাত্তার, মাওঃ লুৎফুর রহমান, নাসিরনগর উপজেলার সভাপতি মাওঃ মহিউদ্দিন, সেক্রেটারী মাওঃ মমিনুল হক, সরাইল উপজেলার সহ সভাপতি মাওঃ জহিরুল ইসলাম, বিজয়নগর উপজেলার সভাপতি হাজী মহিবুল আলম, আশুগঞ্জ উপজেলার সভাপতি হাজী সিরাজুল ইসলাম, সেক্রেটারী মাওঃ হাশমত উল্লাহ, নবীনগর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ মেহেদী হাসান, কসবা উপজেলার সেক্রেটারীমাওঃ ইয়াকুব উসমানী, আখাউড়া উপজেলার মাওঃ আলী হোসেন,  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মতি মেম্বার সহ ইসলামী যুব খেলাফত, ইসলামী ছাত্র খেলাফতের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে
কাজী সেলিম রেজার শোক
প্রবীন রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী, ভাষা সৈনিক অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মুত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন রিয়াদ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা আলহাজ্ব কাজী সেলিম রেজা। এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, তাঁর মূত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারাল। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে
পৌর মেয়র হেলাল উদ্দিনের শোক
ভাষা সৈনিক, জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি, জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা, প্রবীণ রাজনীতিবীদ ও আইনজীবী, অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন। শোক বার্তায় তিনি বলেন, অ্যাডঃ আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে আমরা এক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবককে হারালাম। তার মৃত্যুতে আমি গভীর ভাবে শোকাহত। আমি তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের অভিনন্দন
মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি ও পৌর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক অ্যাডঃ মোঃ শাহ পরান চৌধুরীকে বিএনপির জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট শাখার কার্যকরী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত করায় বিএনপির জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট শাখার সভাপতি এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা প্রখ্যাত আইনজীবী জয়নাল আবদীন এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদলকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জেলা মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোঃ ফরিদ চৌধুরী এবং সিনিয়র সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খাইরুল ইসলাম মোল্লা এবং সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

দেখার কেউ নেই

অনুমোদন ছাড়াই চলছে মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলো
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট ॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোন ধরণের অনুমতি ছাড়াই চলছে ৪টি মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র। এসব মাদক নিরাময় কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক, মনোচিকিৎসক থাকার কথা থাকলে তা নেই। কেন্দ্র চালুর পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নেওয়ার কথা থাকলে এসব কেন্দ্রের কোনটিরই লাইসেন্স নেই। অথচ প্রতিটি কেন্দ্রে একেক জন রোগীর কাছ থেকে প্রতি মাসে নেওয়া হচ্ছে ৬ থেকে ১০ হাজার টাকা। অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্র পরিচালনাকারীদের বেশির ভাগই মাদকাসক্ত বা আগে মাদক সেবন করতেন। অভিযোগ রয়েছে এসব কেন্দ্রে মাদকসেবীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। গত ৩ বছরে এসব মাদক কেন্দ্রে পিটিয়ে ৩ জনকে হত্যা করার অভিযোগও উঠে। এসব অভিযোগে সদর থানায় মামলাও হয়। জানা গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বর্তমানে “অশ্রু” “প্রয়াস” “প্রত্যাশা” এবং “কৃপা” নামে ৪টি মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র রয়েছে। “মন” নামে একটি  মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র আগে থাকলেও বর্তমানে তা বন্ধ আছে। সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর  এলাকা ও আশপাশেই রয়েছে এই কেন্দ্র গুলো। এর মধ্যে পৌর এলাকার পুনিয়াউট গ্রামের বাইপাস সড়কের পাশে অবস্থিত “অশ্রু” সবচেয়ে পুরোনো। পৌর এলাকার পশ্চিম মেড্ডা পীরবাড়িতে ‘প্রয়াস’, ভাদুঘরে “কৃপা” এবং সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ঘাটুরায় অবস্থিত ‘প্রতাশ্যা’ নামে মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র। শহরের মধ্যপাড়ায় “মন” মাদক নিরাময় কেন্দ্রটি আগে থাকলেও এখন নেই। অভিযোগ রয়েছে, এসব অনুমোদন বিহীন  মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে গত ৩ বছরের ৩জন মাদক সেবীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। অভিযোগকারীরা জানান, ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে “মন” মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে আখাউড়া উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের লিটন মিয়া নামে এক যুবকের মৃত্যুর পর এই কেন্দ্রের মালিকরা কেন্দ্রটি বন্ধ করে দেয়। পরে তারা শহরের ভাদুঘরে “কৃপা” নামে আরেকটি মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র খুলে। গত ৫ জুন পৌর এলাকার ভাদুঘরে অবস্থিত কৃপা মাদকাসক্ত পূর্ণবাসন কেন্দ্রে শহরের মধ্যপাড়ার রঞ্জিত সূত্রধরের ছেলে রতন সূত্রধর-(২১) কে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে পুলিশ কৃপা মাদকাসক্ত পূর্ণবাসন কেন্দ্রের এক পরিচালককে গ্রেপ্তার করে। গত আগস্ট মাসে শহরের পশ্চিম মেড্ডা পীরবাড়ি এলাকার অবস্থিত “প্রয়াস” নামক মাদক নিরাময় কেন্দ্রে কান্দিপাড়ার বাহার মিয়ার ছেলে আতিকুল ইসলাম শাকিল-(৩০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠে। ৯ আগস্ট সকালে জেলা সদর হাসপাতালে শাকিলের লাশ ফেলে কেন্দ্রের লোকজন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহত শাকিলের মা পরদিন সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। সম্প্রতি পশ্চিম মেড্ডা পীরবাড়ি এলাকার “প্রয়াস” মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রের জন্য সার্বক্ষণিক কোনো চিকিৎসক বা মনো চিকিৎসক নেই। রোগীদের জন্য কোন বেড নেই। সবাই ফ্লোরেই ঘুমাচ্ছেন। রোগী রয়েছে ১৬ জন। কেন্দ্রের দায়িত্বশীল মোঃ রুবায়তুল ইসলাম জানান, গত ৯ আগস্ট এ কেন্দ্রের ‘রোগী’ শাকিলের মৃত্যুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িতরা কেউ আসেন না। তিনি বলেন, আমাদের কোন সার্বক্ষণিক চিকিৎসক বা মনোচিকিৎক নেই। আমরা নিজেরাই রোগীদের কাউন্সিলিং করি। ঘাটুরা গ্রামে অবস্থিত “প্রত্যাশা” মাদক নিরাময় কেন্দ্রের পরিবেশ অনেকটা ভিন্ন। দু’তলা এই বাড়ির পরিবেশ অনেক সুন্দর হলেও এই কেন্দ্রেও নেই সার্বক্ষণিক কোনো চিকিৎসক বা মনো চিকিৎসক। এই কেন্দ্রে বর্তমান রোগীর সংখ্যা ৩৩জন। রোগীদের জন্য কোন বেড নেই। সবাই ফ্লোরেই ঘুমান। কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মোঃ ফারুক আহম্মেদ বলেন, আমাদের সার্বক্ষণিক কোন চিকিৎসক নেই। তবে রোগীর প্রয়োজনে কল দিলে চিকিৎসক আসেন। রোগীর অবস্থা খারাপ হলে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তিনি বলেন, আমি কেন্দ্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছি। ফারুক আহমেদ বলেন, আমার কেন্দ্রে এ পর্যন্ত কোন রোগী মারা যায়নি। পৌর এলাকার পুনিয়াউটে “অশ্রু” নামক মাদক নিরাময় কেন্দ্রে গেলে সেখানকার দায়িত্বশীল লিমন জানান, তাদের কেন্দ্রে বর্তমানে ৪০ জন রোগী আছে। তাদের এখানেও সার্বক্ষণিক কোনো চিকিৎসক বা মনোচিকিৎসক নেই। তবে তিনি সাংবাদিকদের ‘রোগীদের’ কক্ষে ঢুকতে দেননি। অফিস কক্ষে থাকা লোকজন জানান, ভেতরে ঢুকতে হলে মালিকের অনুমতি লাগবে। আগে “অশ্রু”তে চিকিৎসা করা মাদকসেবী সুজিত ও রাসেল  অভিযোগ করে বলেন, অশ্রুতে মাদকসেবীদের মারধোর করা হয়। তবে কেন্দ্রের দায়িত্বশীল লিমন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সবচেয়ে পুরানো। আমরা মারধোর করলেতো বেশী রোগী থাকতোনা। এ ব্যাপারে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, এসব মাদক নিরাময় ও পূনর্বাসন কেন্দ্রের একটিরও অনুমোদন নেই। নিয়ম অনুযায়ী সব কিছু নেই বলে আবেদনকারিরা লাইসেন্স পাচ্ছে না। এগুলো সবই অবৈধ। কিন্তু মানবিক কারণে এগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, এসব মাদক নিরাময় ও পূর্নবাসন কেন্দ্রে রোগীর মৃত্যুর কথা শুনেছি।

সম্পাদকীয়

মাদক পাচার ও ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইয়াবা ব্যবহার আশংকা জনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একইভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপর দিয়ে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক পাচারও বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২ মাসে ১৩ হাজার পিস ইয়াবা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী উদ্ধার করেছে। এ সময় ১৯ পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাদক পাচার ও ব্যবহার দুটোই উদ্বেগজনক।
মাদক পাচার রোধে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা পুরস্কৃত হয়ে থাকেন। কিন্তু জেলার উপর দিয়ে মাদক পাচার রোধ হচ্ছে না। তেমনিভাবে শহর ও আশপাশ এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যাও আশংকা জনক হারে বাড়ছে। আর মাদক ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে শহরে অপরাধ প্রবণতাও বাড়ছে।
মাদক উদ্ধারে সোর্সদের সাহায্যূ নেয়া হয়। বিনিময়ে সোর্সদের সোর্সমানি দেয়ার রেওয়াজ রয়েছে। কিন্তু নগদ অর্থ না দিয়ে উদ্ধারকৃত মাদকের অংশ বিশেষ দেয়া হয়। ফলো সোর্সদের সোর্সমানির বদলায় প্রাপ্য মাদক হাত ঘুরে আবার ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যাচ্ছে। ফলে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক ব্যবসা বহাল তবিয়তেই চলছে। এতে মাদক উদ্ধারের ফলে সংশ্লিষ্টরা যেমন পুরস্কৃত হচ্ছে তেমনিভাবে বিভিন্ন মাদকের স্পটও চলছে অব্যাহত ভাবে। তাই সমাজের তরুন অংশ অবাধে মাদক ব্যবহারের ফলে তারা বিপথগামী হচ্ছে। তাদের ভেতরকার অপার সম্ভাবনা অকালেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে মাদকসেবনের বৃদ্ধির কুফল নিয়ে আমরা কেউই ভাবছিনা। অনেক সম্ভাবনাময় মেধাবী তরুণ মাদকের কবলে পড়ে চরম অধপতনের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
শিল্প সংস্কৃতির পাদপীঠ ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাদকের অবাধ ব্যবহারের ফলে তার অতীত ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। এ বিষয়ে এখনই যদি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয় তাহলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেধাশূন্য হয়ে পড়বে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে এখনই জেহাদ ঘোষণা করে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে এর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
আমরা আমাদের অতীত ঐতিহ্যকে ধারণ করে সুন্দর ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়ে তুলতে চাই। তাই পুলিশসহ স্থানীয় প্রশাসনের সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বসে মাদক ব্যবহার রোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বর্তমান তরুণ সমাজের মধ্যে আগামী সুন্দর সমৃদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুপ্ত আছে। তাই তাদের রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।